This blog is about medical education including health education.Various medical issues are discussed here.But do not use the materials as reference.
Wednesday, April 21, 2021
Weight loss বা ওজন কমে যাওয়া
Tuesday, April 20, 2021
খেজুরের স্বাস্থ্যগত গুরুত্ব
খেজুর একটি উপাদেয় খাবার।ইফতারিতে খেজুর নেই মানে কি যেন নেই এরকম মনে হয়।মহানবী(স:) ইফতারিতে খেজুর খেতে উৎসাহিত করেছেন।
আজ আমরা খেজুরের স্বাস্থ্যগত গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করবো।
১)খেজুর খুবই পুষ্টিকর খাবার: ১০০ গ্রাম খেজুরে
ক্যালেরি থাকে ৩৭৭, কার্বোহাইড্রেট ৭৫ গ্রাম,ফাইবার থাকে ৭ গ্রাম,আমিষ থাকে ২ গ্রাম,এছাড়াও এটিতে যথেষ্ট পরিমান পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাংগানিজ, কপার, লৌহ এবং ভিটামিন বি৬ থাকে। এগুলো শরীর গঠন নিয়ন্ত্রণে খুবই দরকারি।
২) রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ: যেহেতু খেজুরে যথেষ্ট পরিমাণে ফাবারই থাকে,তাই এটি রক্তের গ্লুকোজকে খুব দ্রুত বাড়তে দেয় না।
৩)কষা পায়খানা নিয়ন্ত্রণ: যেহেতু খেজুরে যথেষ্ট পরিমাণে ফাবারই থাকে,তাই এটি পায়খানাকে নরম করে,ফলে কষা পায়খানা হতে বাঁচা যায়।
৪) অ্যান্টঅক্সিডেন্ট: খেজুরে রয়েছ Flavonoid,Phenolic acid,Carotenoids নামক অ্যান্টঅক্সিডেন্ট যা শরীরকে Free radical নামক খারাপ উপাদান থেকে শরীরকে ভাল রাখে।ফলে হৃদরোগ,বিভিন্ন ক্রোনিক রোগ যেমন ডায়বেটিস,আলঝেইমার ডিজিজ ইত্যাদি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৫) মস্তিস্কের বিভিন্ন রোগ হতে রক্ষা: খেজুর Interleukin 6 নামক একটি উপাদান কমায় যা বিভিন্ন Neurodegenerative রোগ যেমন আলঝেইমার ডিজিজ এর জন্য দায়ী।
৬)সাদা চিনির চিনির বিকল্প: খেজুরে রায়েছে যথেষ্ট পরিমাণে ফ্রুকটোজ,ক্যারামেলের মত সাদ,সেই সাথে এতে রয়েছে ফাইবার,অ্যান্টঅক্সিডেন্ট এবং যথেষ্ট পরিমাণ ক্যালোরি।সুতরাং এত পুষ্টিগুণ এর কারণে এটিকে সাদা চিনির চায়তে আরো ভাল,সুস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়।
৭)প্রশবে সহায়াতা: গর্ভবতী মায়েরা গর্ভকালিন সময়ের শেষের দিকে খেজুর খেলে দেখা গিয়েছে যে সন্তান প্রসব সহজ হয় এবং প্রসবকালীন সময় কম লাগে।
৮) হাড় এর বিভিন্ন রোগ হতে রক্ষা: যেহেতু খেজুরে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ যেমন ফসফরাস,ক্যালশিয়াম,পটাশিয়াম ইত্যাদি থাকে,এটি আমাদের বিভিন্ন হাড়ের রোগ বিশেষ করে অসস্টিওপোরোসিস হতে রক্ষা করে।
এছাড়াও খেজুর এমনিতে যেমন খাওয়া যায়, ঠিক তেমনি এটা অন্য খাবারের সাথে খাওয়া যায়।তাছাড়া এটা দিয়ে জ্যাম,জেলি,জুস তৈরী করেও খাওয়া যায়।
পরিশেষে বলা বাহুল্য যে,খেজুর খাওয়ার যেমন যেমন ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি এর রয়েছে স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন দিক।এছাড়াও ফলটি খেতে যথেষ্ট সুস্বাদু। তাই ইফতার কিংবা অন্য সময়ে খেজুর ফলটি সবার কাছে প্রিয়।
Diagnostic feature of ABPA
Diagnostic feature of ABPA (Allergic Bronchopulmonary Aspergillosis) 1.Asthma(In majority of cases) 2.Proximal Bronchiectasis: Inner 2/3rd ...
-
Let's talk about Anion Gap! First,what is ion? An ion is a charged particle. When it is positively charged then we call it "Cation...
-
Pulsus defecit means when peripheral pulse is lag behind the heart rate at apex seen by stethoscope. It can be seen 3 ways 1.One examiner c...
-
Let's talk about "Evaluation of Thyroid Nodule" If a 45 years women comes to you with swelling in the neck and by examination...
