:::::::Face mask & Immunity of COVID-19:::::
New England Journal of Medicine এ একটি চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
তারা বলতেছে Face mask ব্যবহার করার ফলে অনেকের করোনা রোগের বিরুদ্ধে ইমিউনিটি গড়ে উঠতেছে এবং তাদের আক্রান্ত হওয়ার Severity অনেক কম।
এটা অনেকটা হাইপোথিসিস পর্যায়ে আছে।
ব্যাপারটা প্রমাণ করতে আরো স্টাডি লাগবে।
প্রতিটি Infectious রোগে আক্রান্ত হওয়ার জন্য সেই জীবাণুর একটা নির্দিষ্ট পরিমাণের উপর নির্ভর করে। একে Infectious Dose বলে। তাই জীবাণুর লোড যতো বেশি হয়, রোগের Severity ততো বেশি হয়।
Face Mask ব্যবহারের ফলে এই Viral Load এর পরিমাণ অনেক কমে যাচ্ছে।
ফলে রোগী করোনায় আক্রান্ত হলেও তার অল্প কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং বেশির ভাগেরই গুরুতর কোন সমস্যা হচ্ছে না।
গতমাসে Lancet এ প্রকাশিত এক আর্টিকেলে দেখিয়েছে যে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সময় Viral Load. এর সঙ্গে Mortality এর একটা সম্পর্ক আছে।
যতো বেশি Viral Load, তার Mortality এর হার ততো বেশি।
তাই তারা Viral Load at diagnosis কে তারা Independent Predictor of Mortality বলতেছে।
এখন প্রশ্ন হলো এই কম Viral Load এর জন্য যে ইমিউনিটি তৈরি হবে তা যথেষ্ট কিনা?
গেলো সপ্তাহে প্রকাশিত এক স্টাডিতে দেখা যাচ্ছে যে mild or asymptotic করোনা রোগীদের বেশ শক্তিশালী ইমিউনিটি তৈরি হচ্ছে। এবং এই ইমিউনিটি ভ্যাক্সিন এর মতো কাজ করছে।
আর্জেন্টিনার এক ক্রুজ জাহাজে সব যাত্রীরা Face Mask এবং স্টাফরা N95 ব্যবহার করে।
পরবর্তীতে দেখা যায় মোট করোনা আক্রান্তের ৮১% Asymptotic. তাদের কোন লক্ষণই ছিলো না।
অথচ এর আগে এক ক্রুজ জাহাজে Face Mask ব্যবহার না করার ফলে এই Asymptotic আক্রান্তের হার ছিলো মাত্র ২০%.
এতেই Face Mask ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা বোঝা যায়।
যতোদিন করোনার ভ্যাক্সিন আসতেছেনা ততোদিন Face Mask করোনা রোগের ভ্যাক্সিন হিসেবে কাজ করবে।
© Dr. Md. Sarwarul Islam(Mukta)
Assistant Professor
Department of Medicine
M Abdur Rahim Medical College
Dinajpur
No comments:
Post a Comment